১৩৫০ -অমিয় চক্রবর্তী
হাত থেকে তার পড়ে যায় খসে অবশ্য আধলা ধুলোয়। চোখ ঠেলে খোলা অসাড় শূন্যে। প্রাণ, তুমি আজো আছ ঐ দেহে, আছ মুমূর্ষু দেশে। কঙ্কাল গাছ ভাদ্রশেষের ভিখারী ডালটা নাড়ে, কড়া রোদ্দুর প্রখর দুপুরে ফাটে। হাতের আঙুলে স্নেহ দিয়েছিলে চোখে চেনা জাদু আপন ঘরের বুকে – বাঙলার মেয়ে, এসে ছিল তার জীবনের দাবি নিয়ে, দুদিনের দাবি […]
হাত থেকে তার পড়ে যায় খসে অবশ্য আধলা ধুলোয়। চোখ ঠেলে খোলা অসাড় শূন্যে। প্রাণ, তুমি আজো আছ ঐ দেহে, আছ মুমূর্ষু দেশে। কঙ্কাল গাছ ভাদ্রশেষের ভিখারী ডালটা নাড়ে, কড়া রোদ্দুর প্রখর দুপুরে ফাটে। হাতের আঙুলে স্নেহ দিয়েছিলে চোখে চেনা জাদু আপন ঘরের বুকে – বাঙলার মেয়ে, এসে ছিল তার জীবনের দাবি নিয়ে, দুদিনের দাবি ফলন্ত মাঠে, চলন্ত সংসারে; কতটুকু ঘেরে কত দান ফিরে দিতে। সামান্য কাজে আশ্চর্য খুশি ভরা। আজ শহরের পথপাশে তাকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েকোথা সভ্যতা ছোটে তেরোশো পঞ্চাশিকে।।